১২ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | রাত ১২:৩৭

বন্যায় ৩৪৯ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা অফিস (কৃষি কণ্ঠ অনলাইন সংস্করণ) ।। কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চলমান বন্যায় প্রায় ৩৪৯ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির আর অবনতি না হলে কৃষি মন্ত্রণালয় যেসব কর্মসূচি নিয়েছে তাতে ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা যাবে এবং আমন ধান চাষে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

সোমবার (২০ জুলাই) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে অনলাইনে কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এসব তথ‌্য জানান কৃষিমন্ত্রী। সভা সঞ্চালনা করেন কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান।

সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. আরিফুর রহমান অপু, অতিরিক্ত সচিব (গবেষণা) কমলারঞ্জন দাশ, অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ) মো. মাহবুবুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি) ড. মো. আবদুর রৌফ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল মুঈদ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর, বিএডিসির চেয়ারম্যান সায়েদুল ইসলাম অংশ নেন। এছাড়া, বন্যাকবলিত অঞ্চল ও জেলাগুলোর কৃষি কর্মকর্তাগণ সভায় যুক্ত ছিলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় ধান, সবজি, পাটসহ বেশকিছু ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি কমিয়ে আনতে অনেকগুলো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিকল্প বীজতলা তৈরি, ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে বিকল্প ফসল চাষ ও নিয়মিত আবহাওয়া মনিটরিংয়ের ব‌্যবস্থা করা হয়েছে।’

তিনি জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বীজ মজুদ আছে। এসব বীজ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বিতরণ করে দ্রুত নতুন বীজতলা তৈরি করতে হবে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষি মন্ত্রণালয় বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপের মধ্যে আছে—বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে কৃষকদের জমিতে প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকার কমিউনিটি-ভিত্তিক আমন ধানের চারা উৎপাদন এবং ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ। প্রায় ৭০ লাখ টাকার ভাসমান বেডে রোপা আমন ধানের চারা উৎপাদন। রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে রোপণের জন্য ট্রেতে নাবী জাতের আমন ধানের চারা উৎপাদন এবং ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আমন চাষ সম্ভব না হলে ৫০ হাজার কৃষকের মাঝে প্রায় ৩ কোটি ৮২ লাখ টাকার মাষ কলাই বীজ ও সার বিতরণ।

( সম্পাদনায়:অনলাইন নিউজরুম এডিটর )

%d bloggers like this: