১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | দুপুর ১:৩২

কৃষি প্রণোদনা প্যাকেজের নীতিমালা পরিবর্তনের দাবি

ঢাকা অফিস (কৃষি কণ্ঠ অনলাইন সংস্করণ) ।। সরকারঘোষিত কৃষি ঋণ প্রণোদনা প্যাকেজের নীতিমালা অবিলম্বে পরিবর্তন করে গরিব চাষি, বর্গা চাষি, ভূমিহীন ও প্রান্তিক চাষির অনুকূলে নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট।

বুধবার (২২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ দাবি জানান সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ ওয়াজেদ পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, সরকার করোনার জন্য যে কৃষি ঋণ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, ১৩ এপ্রিল যে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে তাতে দেখা যায়, ১৫ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিক মাত্র আড়াই লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবেন জমির দলিল বন্ধক রেখে। আর বর্গা চাষিরা, ভূমিহীনরা যারা জমি লিজ নিয়ে চাষাবাদ করে তারা ঋণ পেতে হলে চুক্তিপত্র বন্ধক দিতে হবে। কিন্তু যে আমলারা এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন তারা কি জানেন বাংলাদেশের কোথাও বর্গা চাষিদের এবং জমি লিজের কোনো চুক্তিপত্র থাকে না। কারণ চুক্তিপত্র থাকলে জমির মালিককে তার জন্য সরকারকে একটা অর্থ রাজস্ব দিতে হয়। এটা ফাঁকি দেওয়ার জন্য কোনো জমির মালিক চুক্তিপত্র করে জমি বর্গা বা লিজ দেয় না।

তারা বলেন, উৎপাদক চাষি ১৫ বিঘা জমির মালিক হলে ঋণ পাবেন আড়াই লাখ টাকা, আর কৃষি পণ্য কিনে যারা বিক্রি করবেন সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পাবে পাঁচ কোটি টাকা ঋণ। তাই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এই কৃষি ঋণ প্রণোদনা প্যাকেজ কি প্রকৃত কৃষকের জন্য নাকি মধ্যস্বত্বভোগী মিল-চাতাল মালিক ও ফড়িয়াদের জন্য?

বিবৃতিতে অবিলম্বে ঘোষিত নীতিমালা পরিবর্তন করে গরিব চাষি, বর্গা চাষি, ভূমিহীনদের অনুকূলে নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান। একইসঙ্গে কৃষি ও কৃষক বাঁচাতে শুধু ঋণ প্রণোদনা নয় নগদ অর্থ সহায়তার দাবিও জানান।

(সম্পাদনায়:অনলাইন নিউজরুম এডিটর/সঃ কাঃ)

%d bloggers like this: