২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং | ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | রাত ১০:৪৫

কুমারখালীতে আঁখের বকেয়া কোটি টাকা ।। দিশেহারা কৃষক

মিজানুর রহমান নয়ন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি (কৃষি কণ্ঠ অনলাইন সংস্করণ) ।। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কল্যাণপুর আঁখ সেন্টার ভেঙে গেছে চলতি বছরের প্রায় দুই মাস আগেই।কিন্তু আঁখ সেন্টারের আওতাধীন প্রায় সাড়ে ৪ শত কৃষকের প্রায় এক কোটি টাকা বিল এখনও বকেয়া রয়েছে। ফলে থমকে দাঁড়িয়েছে তাদের কৃষি কাজ।লেবার খরচ গাড়ি ভাড়াসহ পরিবার পরিজন নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকেরা।

রোববার সকালে সরেজমিন গেলে,আঁখ সেন্টারের আওতাধীন কৃষকেরা জানান,এখানে প্রায় সাড়ে চারশত কৃষক পাঁচশ একর জমিতে আঁকের চাষ করে।প্রতি বছরই ২৫ -২৭ হাজার মেঃটঃ আঁখ উৎপাদন হয় এখানে।এখানকার কৃষকদের একমাত্র অর্থকারী ফসল আঁখ চাষ। কল্যাণপুর আঁখ সেন্টারের মাধ্যমে কুষ্টিয়া সুগার মিলে আঁখ দেওয়া হয়েছে।কিন্তু প্রায় দুই মাস আগে আঁখ সেন্টার উঠে গেলেও এখনও পরিশোধ হয়নি কৃষকের প্রায় এক কোটি টাকার বিল।ফলে আঁখ ক্ষেতের লেবার বিল ও গাড়ি ভাড়া বকেয়া রয়েছে।এছাড়াও অর্থের অভাবে আঁখ ক্ষেতে পরিচর্যা করতে পারছেন না কৃষক।

এবিষয়ে কল্যাণপুর আঁখ সেন্টারের সভাপতি সামছুল আলম জানান,প্রায় পাঁচশত একর জমিতে আঁখের চাষ হয় এখানে।কিন্তু দুই মাস আগে আঁখ বিক্রি করা হলেও কৃষকদের এখনও এক কোটি টাকার অধিক টাকা বকেয়া রয়েছে। তিনি আরো জানান,অর্থের কারনে কৃষকদের কৃষিকাজ থমকে দাঁড়িয়েছে।পরিবার পরিজন নিয়ে কৃষকদের এখন নাজেহাল অবস্থা।

কুষ্টিয়া সুগার মিলের জি এম আহসান হাবীব জানান, কৃষকদের বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য মন্ত্রণালয়ে বিল পাঠানো হয়েছে।কিন্তু সরকারি খাতে বরাদ্দ না থাকায় বিল পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা।তিনি আরো জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে চিনি বিক্রি না হওয়ায় পরিস্থিতি আরো কঠোর হয়ে দাঁড়িয়েছে, তবে কৃষকদের প্রণোদনার জন্য পাঁচ কোটি টাকার চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

( সম্পাদনায়:অনলাইন নিউজরুম এডিটর )

%d bloggers like this: