২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | সকাল ১০:৫২

কুমারখালীতে মহিলা মেম্বারের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে মাতৃত্বকালীন ভাতা ভোগের অভিযোগ

লিপু খন্দকার (কৃষি কণ্ঠ অনলাইন সংস্করণ)  ।। কুষ্টিয়া কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বারের বিরুদ্ধে প্রতরণার মাধ্যমে মাতৃত্বকালীন ভাতা ভোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চাপড়া ইউনিয়নের ১,২,৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার মঞ্জুরা খাতুন ২০১৭ – ১৮ অর্থ বছরের মাতৃত্বকালীন ভাতা ভোগী হিসাবে সরকারি সুবিধাদি ভোগ করে আসছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে তার বসত বাড়ি ছেঁউরিয়া গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। উল্লেখিত ভাতাভোগীদের তালিকাতে ২ নাম্বারে তার নাম পাওয়া যায়। শহরের অদুরে তার নিজেস্ব পাকা দালান বাড়ি থাকলেও হতদরিদ্র একাধিক ব্যক্তির নিকট থেকে ভাতার কার্ড করে দেবার কথা বলেও বিভিন্ন অংকের টাকা নেবার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে বিদ্যমান।

উপরে উল্লেখিত অর্থ বছরে চাপড়া ইউনিয়নে মোট ২৩ জনের মাঝে মাতৃত্বকালীন ভাতা দেয়া হয়। তার মধ্যে ওয়ার্ড মেম্বাররা তাদের নিজেদের মধ্যে ভাতাভোগী বাছাইয়ের মধ্যে মহিলা মেম্বার বহু আগেই মাতৃত্বের বয়স পার করলেও সে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করে। এবং কোনরূপ যাচাই বাছাই ছাড়াই তার নাম মাতৃত্বকালীন ভাতা ভোগী হিসাবে চুড়ান্ত হয়।এবং সে সরকারি সুবিধাদি ভোগ করছে। এ বিষয়ে মাতৃত্ব না থাকলেও কিভাবে নিজের নামে মাতৃত্বকালীন ভাতা ভোগ করছেন জিজ্ঞেস করলে উল্লেখিত মহিলা মেম্বার মঞ্জুরা খাতুন ২/৩ বছরের একটি শিশুকে দেখিয়ে বলেন তার নাতি ছেলে অর্থাৎ তার মেয়ের জন্য ভাতা করা হয়েছে। তাহলে তালিকায় তার নাম কেন উত্তরে বলেন ন্যাশনাল আইডি কার্ডে তার মেয়ের নাম ভুল থাকায় নমিনি হিসাবে তার নাম ছিলো যে কারনে তার নামেই কার্ড অফিস থেকে করে দিয়েছে।

তিনি আরো জানান চাপড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন রিন্টু ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সব জানেন। তিনি বলেন তার মেয়ে জামাই মাগুরা থাকলেও টাকা তুলে তিনি মেয়েকে পাঠিয়ে দেন। একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে কিভাবে হতদরিদ্রদের মাঝে না দিয়ে নিজে সুবিধা ভোগ করছেন জিজ্ঞেস করলে বলেন এটা দোষের কিছুনা আমি নিজে নিচ্ছি না মেয়েকে দিচ্ছি। এ বিষয়ে চাপড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন রিন্টু জানান মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড মহিলা মেম্বারের মেয়ের নামে করা হয়েছে। হয়তো কোন সমস্যার কারনে এমন হতে পারে। বিষয়টি আমি যাচাই করে দেখছি। এ বিষয়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফেরদৌস নাজনীন সুমনা জানান বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে তদন্ত সাপেক্ষে প্রতারণার মাধ্যমে নাম তালিকা ভুক্ত করার জন্য কার্ড বাতিল সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

( সম্পাদনায়:অনলাইন নিউজরুম এডিটর )

%d bloggers like this: