২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | সকাল ৮:৪৪

পানি কমছে তিস্তায়, আগাম বন্যার শঙ্কা নেই

জেলা ডেস্ক (কৃষি কণ্ঠ অনলাইন সংস্করণ) ।। লালমনিরহাট জেলার প্রায় সব অংশ ছুঁয়ে বয়ে চলা তিস্তা শুষ্ক ও বর্ষা মৌসুমে দুই রূপ। তিস্তার শুষ্ক চরাঞ্চলে ঝরঝরে বালুকে সবুজ ফসলে আচ্ছাদিত করতে কৃষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বর্ষাতে এর ঠিক উল্টো। প্রায় বছর অতিবৃষ্টি আর ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানিতে আকস্মিক বন্যায় তলিয়ে যায় সব ফসল। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বেড়েছিল আশঙ্কাজনক হারে। কিন্তু হঠাৎ রূপ পাল্টে গেছে আলোচিত নদীটির, কমতে শুরু করেছে পানি।

বুধবার (২৭ মে) লালমনিরহাটের সংশ্লিষ্ট তিন দপ্তরের প্রধান এবার আগাম বন্যার শঙ্কা নাই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। লালমনিরহাটের কৃষি, মানুষ, তিস্তার পানি এবং আপদকালীন সময় নিয়ে কথা বলেন তারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, উজানের দিক থেকেই পানি কমেছে। কয়েকদিন আগের পানি বৃদ্ধি পেয়েছিল। গত পরশু এবং আজকের পানি কমেছে। বিপদসীমার অনেক নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। আসামের দিকে মূলত বৃষ্টি হচ্ছে। আপাতত তিস্তায় পানি বাড়ার কারণ দেখছিনা।

কৃষি বিভাগের উপপরিচালক শামীম আশরাফ বলেন, কিছু জায়গায় পানি জমেছে। বানভাসা নামক জায়গাতে কিছু জমি তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পানির উপরে ধানের শীষ দেখা যাচ্ছে। সেগুলোর কোন সমস্যা হবেনা। তাদেরকে ধান কাটতে বলা হচ্ছে। বৃষ্টি যেহেতু থেমে থেমে হচ্ছে, তাই কৃষকরাও এর ফাকেই ধান কেটে নিচ্ছেন। কিছু জায়গায় চীনাবাদাম জাতীয় ফসল আছে, সেগুলো তলিয়ে গেছে। গতকাল (২৬ মে) রাত থেকে পানি নেমে যাওয়ার সংবাদ পেয়েছি। পানি নেমে গেলে এসব ফসলের তেমন কোন ক্ষতি হবে না।

জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, আগাম বন্যার কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই। অতি বৃষ্টির কারণে হয়তো হতে পারে। যদি কোন দুর্যোগ আসে,তাহলে তা মোকাবিলা করতে মাদের পর্যপ্ত ত্রাণ আছে।

( সম্পাদনায়:অনলাইন নিউজরুম এডিটর )

%d bloggers like this: