২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | সকাল ৬:১৫

কলরেট-ইন্টারনেটে এখনই বাড়তি শুল্ক কেন?

ঢাকা অফিস (কৃষি কণ্ঠ অনলাইন সংস্করণ) ।। প্রস্তাবিত বাজেট পাসের আগেই মোবাইলের কলরেট ও ইন্টারনেটে বাড়তি শুল্ক কেন আরোপ করা হয়েছে, তা জানতে চেয়ে মোবাইল অপারেটরদের ই-মেইলে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

শনিবার (১৩ জুন) বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফারহান আলম অপারেটরগুলোকে এ ই-মেইল চিঠি পাঠিয়েছেন। যেখানে বাজেটে মোবাইল ফোনের সেবার ওপর প্রস্তাবিত বাজেটের প্রস্তাব ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। বিটিআরসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিটিআরসি অপারেটরদের ই-মেইলে বলেছে, বাজেটে যে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে, তা ইতিমধ্যেই আরোপ করা শুরু করেছে অপারেটরেরা। বিষয়টি বিটিআরসির নজরে এসেছে। এটা প্রমাণিত হলে নজিরবিহীন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম গণমাধ্যমকে কলরেট বৃদ্ধির বিষয়ে বলেন, বর্তমানে কলরেট অনেক কম তাই অপ্রয়োজনীয় কথা বলার প্রবণতা বেড়ে গেছে। তবে কথা বলার প্রবণতা কমানোর জন্য কলরেটে আরও ৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়নি। বরং কলরেট কম তাই মাত্র ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা ব্যয়ের সক্ষমতা মানুষের আছে।

তিনি বলেন, আমাদের একটা সমস্যা হচ্ছে কত শতাংশ বাড়ানো হলে সেটা বিবেচনা না করেই এর বিরোধিতা করা হয়। এক্ষেত্রে মাত্র ৫ শতাংশ শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এটাতে মানুষের তেমন ক্ষতি হবে না।

বাজেটে সরকার মোবাইল সেবা, তথা কথা বলা, ইন্টারনেট ব্যবহার ও খুদে বার্তা পাঠানোর ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেন। রাতেই কোনো কোনো অপারেটর তা কার্যকর করার কথা জানায়। কেউ কেউ কার্যকর করলেও গ্রাহকের জন্য সব ক্ষেত্রে দাম বাড়ায়নি।

নতুন করহারে মোবাইল সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ১৫ শতাংশ, সম্পূরক শুল্ক ১৫ শতাংশ ও সারচার্জ ১ শতাংশ। ফলে মোট করভার দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জে সরকারের কাছে কর হিসেবে যাবে ২৫ টাকার কিছু বেশি, এত দিন যা ২২ টাকার মতো ছিল।

( সম্পাদনায়:অনলাইন নিউজরুম এডিটর )

%d bloggers like this: