৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ ইং | ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | সকাল ৭:৩৪

নির্বাচিত কৃষকের নামের তালিকা টানানোর নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক (কৃষি কণ্ঠ অনলাইন সংস্করণ) ।। লটারি করার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত কৃষকের নামের তালিকা ইউনিয়ন অফিসের তথ্যকেন্দ্রে টানিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবন থেকে ঢাকা বিভাগের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

এসময় তিনি বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে যেসব কৃষক বোরো চাষ করেছেন এমন প্রকৃত কৃষকের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করতে হবে। লটারি করার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত কৃষকের নামের তালিকা ইউনিয়ন অফিসের তথ্যকেন্দ্রে ঝুলিয়ে রাখতে হবে; যাতে সবাই দেখতে পায়। এসব কাজ অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে দিয়ে করতে হবে।

ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা বিভাগের আওতাধীন প্রতিটি জেলার করোনা মোকাবিলা পরিস্থিতি, চলতি বোরো ধান কাটা-মাড়াই, সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন খাদ‌্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ধান-চাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলায় সংগ্রহ কমিটি রয়েছে। সংগ্রহ কমিটিকে প্রতিটি ইউনিয়নে গিয়ে কৃষকের উপস্থিতিতে লটারি করার আহ্বান জানান তিনি। কৃষকের ধান দেওয়ার ক্ষেত্রে ময়েশ্চার বা আর্দ্রতা সমস্যার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কৃষকের ধান দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্দ্রতা নিয়ে একটু সমস্যা হয়। কিন্তু প্রতিটি উপজেলার কৃষি অফিসে আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র রয়েছে। কৃষকের নামের লটারি করার পর উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা এসব চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত কৃষকের বাড়িতে গিয়ে তাদের ধানের আর্দ্রতা পরিমাপ করার ব্যবস্থা নিতে পারে; যা কৃষকের জন্য খুব উপকার হবে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা করোনা মোকাবিলা করে এই সংগ্রহ কার্যক্রম চালাচ্ছেন। খাদ্যশস্য সংগ্রহে যাতে কোনো অনিয়ম না হয় সেজন্য কর্মকর্তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে বলেন মন্ত্রী।

কোনো কৃষক যেন খাদ্যগুদামে ধান দিতে এসে ফেরত না যায় এবং কোনোভাবেই যেন কৃষক হয়রানি না হয় সেজন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে সতর্ক করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি গুদামের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য খামালের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষকের লটারি করার পর আগে থেকেই ওয়েটিং লিস্ট তৈরি করাসহ বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন তিনি।

ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল জেলার জেলা প্রশাসক, ঢাকা বিভাগের আওতাধীন প্রতিটি জেলার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা বক্তব্য রাখেন।

( সম্পাদনায়:অনলাইন নিউজরুম এডিটর )

%d bloggers like this: