২৯শে নভেম্বর, ২০২০ ইং | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | রাত ২:৫৬

রেড জোনে থাকছে যেসব বিধিনিষেধ

ঢাকা অফিস (কৃষি কণ্ঠ অনলাইন সংস্করণ) ।। রেড জোনে যেসব বিধিনিষেধ থাকবে তা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে জোনিং সিস্টেম বিষয়ক কেন্দ্রীয় কারিগরি গ্রুপের সদস্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ফাইলেরিয়াসিস ইলিমিনেশন অ‌্যান্ড এসটি এইচ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. জহিরুল করিম সোমবার (১৫ জুন) রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিধিনিষেধের কথা জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়: স্বাস্থ্যবিধি মেনে বর্ধিত সময়ে কৃষি কাজ করা যাবে। গ্রামাঞ্চলে কলকারখানা ও কৃষিপণ্য উৎপাদন কারখানায় কাজ করা যাবে। তবে শহরাঞ্চলে সব বন্ধ থাকবে।

বাসা থেকেই অফিসের কাজ করতে হবে।

কোনো ধরনের জনসমাবেশ করা যাবে না। কেবল অসুস্থ ব্যক্তি হাসপাতালে যেতে পারবেন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হতে পারবেন। রিকশা ভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্যাক্সি বা নিজস্ব গাড়ি চলাচল করবে না।

সড়ক পথ, নদীপথ ও রেলপথে জোনের ভেতরে কোনো যান চলাচল করবে না।

জোনের ভেতরে ও বাইরে মালবাহী নৌযান ও জাহাজ রাতে চলাচল করতে পারবে।

প্রত্যেক এলাকায় সীমিত পরিমাণে প্রবেশ ও বহিরাগমন পয়েন্ট নির্ধারণ করে কঠোরভাবে জনগণের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

এই জোনের অন্তর্গত মুদি দোকান ও ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। রেস্টুরেন্ট ও খাবার দোকানে শুধু হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু থাকবে। প্রয়োজনেই বাজারে যাওয়া যাবে। তবে শপিংমল, সিনেমা হল, জিম/ স্পোর্টস কমপ্লেক্স, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

আর্থিক লেনদেন বিষয়ক কার্যক্রম যেমন- টাকা জমাদান/ উত্তোলন স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেবল এটিএম-এর মাধ্যমে করা যাবে। তবে সীমিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।

এলাকার রোগীদের পর্যাপ্ত কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা করা হবে। শনাক্ত রোগীরা হোম আইসোলেশন বা প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে থাকবে।

শুধু মসজিদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মসজিদ/ উপাসনালয়ে সামাজিক দূরত্ব রেখে ইবাদত করতে পারবেন।

সাধারণভাবে রেড জোন ২১ দিনের জন্য বলবৎ হবে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে রেড জোন পরিবর্তন করা হবে।

এছাড়া রেড জোনসহ বাংলাদেশের সব অঞ্চলে সাধারণ নিয়মাবলী পালন করতে হবে। যেমন: সবাইকে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরতে হবে। হাত ধোয়া, জীবাণুমুক্তকরণ ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

করোনা রোগ/ সংক্রমণ শনাক্তকরণ, তাদের আইসোলেশন ও চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং ও কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে।

স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, হাসপাতাল ও জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহনকারী যান/ ব্যক্তিগত গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে চলাচল করবে।

সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, কোচিং সেন্টার পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

এসব কার্যক্রমের তদারকির জন্য কার্যকরী সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মাঠকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১৫ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুসরণ করতে হবে।

রেড জোন বাস্তবায়নের সময় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সবার প্রযোজনীয় নাগরিক সেবাসহ অন্যান্য সুবিধা-অসুবিধার দিকে খেয়াল রাখবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

( সম্পাদনায়:অনলাইন নিউজরুম এডিটর )

%d bloggers like this: